• Friday, 23 October 2026
Home / Detail News Copy Link
পদ্মা সেতু সংলগ্ন নদীর পাড়ে ১৫ হাজার চারা রোপণ: তদারকিতে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

পদ্মা নদীর তীরের বাস্তুতান্ত্রিক ভারসাম্য রক্ষা, ভূমিক্ষয় রোধ এবং সবুজ বলয় গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক বিশাল বনায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। এই কর্মসূচির অধীনে নদী অববাহিকা সংলগ্ন এলাকায় ফলজ, বনজ এবং ঔষধি প্রজাতির মোট ১৫ হাজার পরিবেশবান্ধব বৃক্ষচারা রোপণ করা হয়েছে।

আজ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (শুক্রবার) বিকেলে পদ্মা সেতু সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করে রোপণকৃত চারার সার্বিক অবস্থা ও বনায়ন কার্যক্রম খতিয়ে দেখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

পরিকল্পিত রোপণ ও বিশেষ গুরুত্ব

বৃহৎ এ বনায়নে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের কথা মাথায় রেখে চারা নির্বাচন ও বিন্যাসে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

বনায়ন উদ্যোগের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

সুনির্দিষ্ট প্রজাতি বিন্যাস: রোপণকৃত ১৫ হাজার চারাকে আলাদাভাবে ফলজ, বনজ ও ঔষধি—এই তিনটি সুনির্দিষ্ট ভাগে ভাগ করে নদী তীরের সংবেদনশীল অঞ্চলে রোপণ করা হয়েছে, যা স্থানীয় পাখি ও বন্যপ্রাণীর খাদ্য ও আশ্রয়ের যোগান দেবে।

নদীপাড় সুরক্ষা ও ভূমিক্ষয় রোধ: পদ্মার মতো প্রমত্তা নদীর পাড়ে গভীর শিকড়বিশিষ্ট বনজ গাছ রোপণের ফলে পাড় ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান তৈরি হবে।

প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শন ও দিকনির্দেশনা: পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী চারাগুলোর দীর্ঘমেয়াদি যত্ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন। তিনি উল্লেখ করেন, কেবল চারা রোপণই যথেষ্ট নয়; এগুলোকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রাকৃতিক বনে রূপান্তর করতে সার্বক্ষণিক তদারকি প্রয়োজন।

মেগাপ্রকল্পে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা

দেশের বৃক্ষ আচ্ছাদন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পের পাশে এমন সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, পদ্মা সেতু সংলগ্ন এই বনায়ন ভবিষ্যতে উপকূলীয় ঝড় ও বাতাসের তীব্রতা কমাতে এবং স্থানীয় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে প্রাকৃতিক ফিল্টার হিসেবে কাজ করবে।

Popular News
Trending News