• Tuesday, 15 September 2026
Home / Detail News Copy Link
পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ: টাইগার প্রটোকল ও সুন্দরবন যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা বাংলাদেশে আয়োজনের সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশ ও ভারতের অভিন্ন বাস্তুতন্ত্র সুন্দরবন এবং বিশ্ব ঐতিহ্য রয়েল বেঙ্গল টাইগার সংরক্ষণে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ভারতের বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের আওতায় সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য বিষয়ক যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের পরবর্তী সভা এবং রয়েল বেঙ্গল টাইগার সংরক্ষণ প্রটোকলের পরবর্তী দ্বিপক্ষীয় সভা বাংলাদেশে আয়োজনের বিষয়ে দুই দেশ একমত পোষণ করেছে। তবে, আন্তঃসীমান্ত এশীয় বন্যহাতি সংরক্ষণের পরবর্তী সভা ভারতে অনুষ্ঠিত হবে।

আজ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (সোমবার) বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি-র সাথে তাঁর নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি উপস্থিত ছিলেন।

অভিন্ন পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ ও আঞ্চলিক সহযোগিতা

দ্বিপক্ষীয় সাক্ষাতকালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, সীমান্ত অতিক্রমকারী বায়ু ও নদীদূষণ নিয়ন্ত্রণ, কার্বন ক্রেডিট, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং টেকসই সবুজ অর্থনীতির বিকাশ নিয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন:

সমন্বিত উদ্যোগ: বাংলাদেশ ও ভারতের পরিবেশ ও প্রতিবেশগত স্বার্থ নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। জলবায়ু পরিবর্তন, বন্যা, খরা, নদী ব্যবস্থাপনা ও বায়ুদূষণের মতো চ্যালেঞ্জ কোনো একক দেশের সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়। এসব মোকাবিলায় পারস্পরিক আস্থা ও তথ্য বিনিময় জরুরি।

সমতা ও অভিন্ন স্বার্থ: পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে আঞ্চলিক প্রযুক্তি, জ্ঞান ও সফলতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষার ভারসাম্য বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম সুন্দরবনকে দুই দেশের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা বলয় হিসেবে উল্লেখ করে এর প্রতিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনা অভিজ্ঞতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সুদৃঢ় করার প্রত্যয়

ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী দীনেশ ত্রিবেদী উল্লেখ করেন, পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নে ভারত ও বাংলাদেশের যৌথভাবে কাজ করার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। দুই দেশের জনগণের কল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে এই বন্ধুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সহযোগিতা আগামীতে আরও সম্প্রসারণ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

উচ্চপর্যায়ের এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Popular News
Trending News